It All Starts In Here

A Journey Through the Soul of Music and Poetry

About

Gopal Dasgupta was born on January 15, 1910, into a distinguished family in Chittagong. His paternal grandfather, Navin Chandra Das, was a noted literary figure, and poet Navin Chandra Sen was a close relative from his maternal side. While studying law, he answered Masterda Surya Sen’s call for the freedom struggle and was briefly interned. Although he pursued law professionally, music remained his passion. He became a producer at Dhaka Betar Kendra, playing a pioneering role in promoting Bengali music. After Partition, he joined Kolkata Radio Centre, significantly contributing to its music department. His compositions—spanning patriotic, devotional, raga-based, and modern songs—continue to inspire generations. Honored with the title "Banitirtha," his legacy remains unparalleled. Gopal Dasgupta passed away on June 10, 1974, leaving behind a treasure trove of music that continues to enrich Bengal’s cultural heritage.

An Introduction to Gopal Dasgupta in the words of Natyakar Sri Manmatha Ray and Guru Jnan Prakash Ghosh
On Gopal Dasgupta: Manmatha Ray

অনেকস্থলে দেখা যায়, সুপ্ত প্রতিভা সমসাময়িক কালে প্রস্ফুটিত হয় না, পরবর্তীকালে তা অপ্রত্যাশিত ভাবেই সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং অকস্মাৎ সকলকে বিস্মিত করে জনপ্রিয়তার উচ্চশিখরে স্থান করে নেয়। কাব্য-গীত রচনা এবং সঙ্গীতে আশ্চর্য প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও অকাল প্রয়াত গোপাল দাশগুপ্ত তাঁর জীবদ্দশায় প্রাপ্য সমাদর ও স্বীকৃতি পাননি। কলিকাতা আকাশবাণীতে আমি এক সময় প্রযোজক ছিলাম, তখন তাঁর সংস্পর্শে আসায় সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। আশা করব গোপাল দাশগুপ্ত রচিত গান আমাদের সঙ্গীত-জগতে নতুনত্ব এনে গোপাল দাশগুপ্তের মর্যাদাকে যথাস্থানে সুপ্রতিষ্ঠিত করবে।

                                                                                                                                                                                                                                                    মন্মথ রায়

                                                                                                                                                                                                                    সভাপতি, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নাট্য আকাদমি কলিকাতা।

On Gopal Dasgupta: Jnan Prakash Ghosh

                                                                                                                                       ভূমিক।

স্বর্গত গোপাল দাশগুপ্ত সৃষ্টি কর্তার আহবানে তাঁর জীবনের বহুকালের আরক, আদরের ও আকর্ষণের কান্য-গান-রচনার স্বর্গের সংসার ছেড়ে অন্য অগতে চলে গেলেন, আমাদের রেখে গেলেন তাঁকে ও তাঁর রচিত কবিতা, গান, সংগীত স্মরণ করবার জন্য।

কিন্তু ভগবানের কাছ থেকে অসাধারণ প্রতিভা ও রচনা শক্তির সার্থক রূপায়ণ ক্ষমতা থাকা সত্বেও বাঙ্গালী সাহিত্য-কাব্য রসিক সমাজের কাছ থেকে গোপাল দাশগুপ্ত যথাযোগ্য স্বীকৃতি ও সম্মানে পুরস্কৃত হয়েছেন বলে মনে হয় না। এ ধরণের দুর্ভাগ্য থেকে নিষ্কৃতি পেতে হয়েছে স্বয়ং রবীন্দ্র-নাগকেও, তার সমকালীন সাহিত্য-সংস্কৃতির সমাজ থেকে, নিজের অতি-মানবিকতার বলে, হয়তো বা বিশেষ নক্ষত্র গোষ্ঠীর অসম সমাবেশে।

এই ধরণের প্রশস্তি প্রসংগে কবিগুরুর নাম উচ্চারণ করায় আমার সঙ্কোচ বোধ করা হয়তো উচিত ছিলো কিন্তু নিঃসংকোচে তা করছি এইজন্যে যে আমার বেতারের সহকর্মী গোপালবাবুর গীতি কবিতা রচনার মধ্যে এবং তাঁর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা লব্ধ দীর্ঘকালের আলাপ-আলোচনার প্রসংগে আজল্যমান প্রমান পেয়েছি রবীন্দ্র সাহিত্যে ও কাব্যে কতখানি শ্রদ্ধা ও নিবিড় আন্তরিকতার সঙ্গে গোপালবাবু সার্থক পঠন পাঠনকে সম্বল ও হৃদয়ঙ্গম ক’রে দীর্ঘকাল ধরে কবিতা, গান রচনায় সাধনা করেছেন ও হাত পাকিয়েছেন শুধু রবীন্দ্রনাথের কাব্য গৌরীশৃঙ্গের দুর্গম পথের অনুসরণ ও অনুশীলন করে। কাব্যরচনার ক্ষেত্রে উচ্চস্তরের মার্গদর্শনের দিকে গোপালবাবুর মানসিকতা এতোই নিবিষ্ট ছিল যে তাঁর কবিতা, গান ইত্যাদি রচনার মধ্যে একটা সাধারণ আটপৌরে Standard বা মান ছাড়িয়ে অনেক উর্ধগামী সমৃদ্ধির দিকে গতিমান হোতো, অনেক গভীরতার অন্বেষণ থাকতো। আবার অন্যদিকে classical এর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে উনি যখন দৃষ্টি নিক্ষেপ করতেন লোকসঙ্গীতের জনজীবন ও সংস্কৃতির দিকে, তখন কবিতার স্বপ্নস্বর্গ থেকে চলে এসে মানুষের মাটির মর্ত্যলোকের সাধারণ সুখ-দুঃখ-আশা-আকাঙ্খা-কল্পনা কেন্দ্র করে লিখে যেতেন স্বতস্ফূর্ত সরল আনন্দে। আমি যেটুকু দেখেছি বা জেনেছি তাতে মনে হয়েছে গোপালবাবু সমভাবে অধিকারী ছিলেন সনাতন classical এবং আধুনিক চিন্তা, মানসিকতা ও রচনায়।

গোপালবাবুর আদরের কন্যা কল্যাণীয়া বাসন্তী আমাকে তাঁর পরিকল্পনার একটা গ্রন্থের ভূমিকা লেখবার অনুরোধ করে গোপাল বাবুর অসংখ্য রচনার থেকে কিছু Cassette শুনতে দিয়েছিলেন যা শুনতে শুনতে গোপালবাবুর সম্বন্ধে ‘অর্ধবিস্মৃত সাহচার্য্যমিশ্রিত স্মৃতির পুনর্জাগরণ আমাকে একটা স্নিগ্ধ কাব্য পরিবেশে নিয়ে গেল। কিন্তু আমার মত দৃষ্টিহীনের দূরদৃষ্টের কাছে গোপালবাবুর লেখা রচনার কোন প্রতিলিপি পড়ে দেখবার উপায় না থাকায়, তাছাড়া সময়ের অল্পতার জন্য বন্ধুবর গোপালবাবুর অসামান্য প্রতিভার যোগ্যতার কিছু সামান্না স্মৃতিচারণ করেই তাঁর প্রতি এবং তাঁর রচনার আদর্শের প্রতি আমার শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমার মনে হয়েছে কলকাতা বেতারের সহযাত্রী হবার আগেই আমি স্বর্গত গোপাল দাশগুপ্তের পরিচয় লাভ করেছি, যে পরিচয় পরে নিকট ঘনিষ্ঠতায় পরিণত হয়েছিল তাঁর প্রয়াণের দিন পর্য্যন্ত।

এই সহাবস্থানের সময়ের মধ্যে কোলকাতার অনেকগুলি মধ্য বয়স্ক এবং তরুণ যশস্বী গীতিকারের সঙ্গে আলোচন। তথা তাদের গানের সুরারোপ নিয়ে গ্রামোফোন বা রেডিও বা ফিল্মের সংগীত প্রস্তুতির ব্যাপারে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে আমাকে আসতে হয়েছে দীর্ঘকাল ধরে। তাঁদের সকলের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও স্বীকৃতি সম্বন্ধে আমি সম্পূর্ণ অবহিত থাকলেও আমি নিঃসন্দেহে মনে করি যে গোপালবাবুর মত সর্বগুণসম্পন্ন পূর্ণরূপে সংস্কৃতিবান কাব্য-গান রচনাকার আমি এ দেশে আর কাউকে দেখিনি।

গানের উপজীব্য অনেকগুলি বিষয়বস্তু তিনি বিভিন্ন সময়ে, পরিবেশে বা প্রয়োজনে হাতে নিতেন। তার মধ্যে বাংলাদেশের সাহিত্যকাব্য সমাজজীবনের নানা পরিস্থিতি নানা অনুভূতি চিন্তা-কল্পনা এসে পড়ত। যেমন প্রকৃতি, প্রেম, সুখ, দুঃখ, মিলন, বিরহ, আনন্দ, বেদনা, ভক্তি, ইত্যাদি ইত্যাদি। তিনি নিজেই সুরসিক ছিলেন কাজেই রসের কথা বিশেষ করে বলতে চাই না। ভক্তির কথা রচনার মাধ্যমে বলতে চাইনা কারণ হৃদয়ে ভক্তির লেশমাত্র না থাকলেও বহু লেখক ভক্তির প্রস্রবন বহাতে পারেন অক্ষরে, অক্ষরে। কিন্তু গোপালবাবুর
 সঙ্গে ব্যক্তিগত আলোচনা প্রসঙ্গে জেনেছিলাম তাঁর মধ্যে দুটো জিনিষ-প্রেম ও ভক্তি।

এবার একটি বিষয়ের উল্লেখ করে আমার সংক্ষিপ্ত ভূমিকা শেষ করি। দেশাত্ম-বোধক গান বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়ের যুগ থেকে আরম্ভ করে দ্বিজেন্দ্রলাল, রবীন্দ্রনাথ, অতুলপ্রসাদ, রজনীকান্ত পর্য্যন্ত ও এঁদের ছাড়া পূর্বে ও পরে আজ পর্য্যন্ত অনেক খ্যাত ও অখ্যাত রচয়িতা স্বদেশী বা দেশাত্মবোধক গান লিখে চলেছেন। ভাষায়, ছন্দে, উত্তেজনায় বা উদ্দীপনায় ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যে বহু গান স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখবার মত, সুরারোপের বৈচিত্রেও হয়তো অনেকগুলি শ্রুত্যাকর্ষক। কিন্তু গোপালবাবুর ক্ষেত্রে তুলনামূলক আদর্শে একটা বৈশিষ্ট্যে ছিল যা বোধ হয় এই সব কয়েকটি নামের থেকে অনন্য। গোপাল বাবু নিজের দেশের জন্য স্বাধীনতা সংগ্রামে একজন জীবন পণকারী কর্মী ছিলেন, যাঁর কাছে কাব্যপ্রতিভা এবং জীবন বন্ধক দেশপ্রেম দাঁড়িপাল্লায় সমান ওজনের ছিল।

                                                                                                                                                                                                                                                                   জ্ঞান প্রকাশ ঘোষ

On Gopal Dasgupta: Dilip Kanungo

                                                                                                                                   কবি পরিচিতি

                                                                                                                              বাণীভীর্থ গোপাল দাশগুপ্ত

প্রকৃতির রমা লীলানিকেতন চট্টগ্রাম। মাষ্টারদা, প্রীতিলতার মহান স্মৃতিপ্ত চট্টগ্রাম। এই চট্টগ্রামেরই এক বিশিষ্ট অভিজাত পরিবার-যে পরিবার লক্ষ্মী ও সরস্বতীর অকৃপণ আশীর্বাদ ধারায় অভিষিক্ত। ১৯১০ ইংরাজীর ১৫ই জানুয়ারী তারিখে এই পরিবারেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলার সঙ্গীত জগতের এক বিশিষ্ট প্রতিভা-বাণীতীর্থ গোপাল দাশগুপ্ত। পিতা পুলিনবিহারী দাশ ছিলেন সে যুগের উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মচারী। মাতা শৈলবালা দেবী ছিলেন বহুমুখী গুণের অধিকারিণী। একাধারে তিনি ছিলেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট এক সমাজসেবী, স্বভাব কবি ও সংগীতশাস্ত্রে নিপুণা। পিতৃকুল এবং মাতৃকুল উভয় দিকের প্রভাব গোপাল দাশগুপ্তের চরিত্র গঠনে এবং প্রতিভাস্ফুরণে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল। মাতৃকুলের নিকট আত্মীয় মহাকবি নবীনচন্দ্র সেনের কবিত্ব শক্তির প্রভাব গোপাল দাশগুপ্তের জীবনে বিশেষ কার্যকরী হয়েছিল। তাঁর পিতামহ ছিলেন বাংলার বিশিষ্ঠ সাহিত্যসেবী কবিগুণাকর নবীনচন্দ্র দাশ। পেশাগত ভাবে তিনি ছিলেন সেকালের এক বিশিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। কিন্তু তাঁর নেশা ছিল ক্লাসিক সাহিত্যে। মহাকবি কালিদাসের প্রায় সব কটি বিখ্যাত কাব্য এবং নাটক মূল সংস্কৃত থেকে বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে তিনি বাংলা সাহিত্যের অনুবাদ শাখাকে পরিপুষ্ট করেছেন। তাঁর খুল্লপিতামহই বিশ্ববিখ্যাত তিব্বত অভিযাত্রী জ্ঞানভিক্ষু রায়বাহাদুর শরৎচন্দ্র দাস কে, সি, আই.ই। সে যুগের নিষিদ্ধ দেশ তিব্বত সম্পর্কে তাঁর বহুসংখ্যক গ্রন্থ অনুসন্ধিৎসু পণ্ডিত সমাজে এখনও সমভাবে আদ্রিত।

গোপালবাবুর বাল্যজীবন তেমন সহজ মসৃণ ছিল না। অল্পবয়সেই পিতৃবিয়োগের আঘাত তাঁকে বিশেষভাবে বিচলিত করে তোলে। কিন্তু কঠোর অধ্যবসায়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হন এবং আইন ব্যবসা শুরু করেন। ইতিমধ্যে দেশব্যাপী স্বাধীনতা আন্দোলনের জোয়ার এসে গেছে। আদর্শবাদী দৃঢ়চেতা গোপাল দাশগুপ্ত ব্যক্তিগত সুখস্বাচ্ছন্দ্য স্বেচ্ছায় পরিত্যাগ করে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং রাজশক্তির কোপদৃষ্টি এড়াতে না পেরে কারাবরণ করেন।
 জীবিকা হিসেবে তিনি আইন ব্যবসাকে গ্রহণ করলেও শেষ পর্যন্ত অন্তরের তাগিদে তা পরিত্যাগ করে সংগীতকেই জীবনের একমাত্র সাধনা ও জীবিক। হিসেবে গ্রহণ করেন। সঙ্গীতনিপুন। মাতার যরে শৈশবেই তাঁর সঙ্গীতে হাতে-

বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ নগেন্দ্র দত্ত তাঁর শিক্ষাগুরু ছিলেন। সংগীত সাধনায় নিবেদিত প্রাণ গোপাল দাশগুপ্ত চট্টগ্রাম আর্য্য সংগীত সমিতির প্রাণপুরুষ ছিলেন। তাঁর পরিচালনায় এই প্রতিষ্ঠান দেশের গুণীজনের সশ্রদ্ধ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। মহান সংগীত সাধক আলাউদ্দিন খ’। এবং ভারতীয় নৃত্য-শিল্পের প্রবাদ পুরুষ উদয়শঙ্করও এই প্রতিষ্ঠানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন।

খড়ি। মাতুল মণীন্দ্র চন্দ্র রায়ের কাছেও তিনি সংগীতের পাঠ গ্রহণ করেন। ঢাকা বেতারকেন্দ্র গোপালবাবুর সঙ্গীত প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তাঁকে বিশিষ্ট পদে নিযুক্ত করেন। তিনি ঢাকা বেতারে চল্লিশ দশকের শুরুতে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রচারে অগ্রগামী ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁরই তত্ত্বাবধানে ঢাকায় রবীন্দ্রসঙ্গীত চর্চার সূত্রপাত ঘটে। (দেশ সাহিত্য সংখ্যা, ১৩৯৩, রফিকুল ইসলাম)। অধুনা বাংলাদেশে রবীন্দ্রসংগীতের জনপ্রিয়তার পেছনে গোপাল দাশগুপ্তের অবদান অবিস্মরণীয়। দেশবিভাগের পর গোপালবাবু কলকাতা বেতার কেন্দ্রে সংগীত প্রযোজক হিসেবে যোগদান করেন। প্রযোজক হিসেবে তাঁর স্মরণীয় অবদান কলকাতা বেতার কেন্দ্রের সংগীত বিভাগের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। শুধু সংগীতের প্রযোজনাই নয় সংগীত রচনাতে ও সুরারোপে তাঁর গীতিপ্রবণতা বিকশিত। অসংখ্য সংগীত এবং সংগীত আলেখ্যর রচয়িতা ছিলেন তিনি। সঙ্গীত সাধনায় তাঁর গৌরবময় কৃতিত্ব ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলার গুণীজন সম্মেলনে তাঁকে “বাণীতীর্থ” উপাধিতে সম্মানিত করেন সঙ্গীত শাস্ত্রী সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী।

গোপাল দাশগুপ্তের চরিত্রে একদিকে যেমন ছিল অনমনীয় আত্মবিশ্বাস, অপরদিকে ছিল প্রশান্ত এক স্নিগ্ধ ব্যক্তিত্ব। প্রচার সর্বস্ব যুগের মানুষ হয়েও একান্তভাবে তিনি ছিলেন আত্মপ্রচার বিমুখ। তাঁর সমগ্র জীবনই ছিল নিটোল একটি গানের স্বরলিপি।

                                                                                                                                                                                                                                                                         দিলীপ কানুনগো

Music school

Preserving Musical Heritage Through Education, Creativity, and Timeless Melodies for Future Generations.

Gopal Dasgupta’s Music School  was dedicated to nurturing musical talent by imparting knowledge in lyrics, composition, and classical techniques. Focused on preserving his rich legacy, the school fosters creativity, discipline, and artistic excellence, inspiring future generations to embrace the beauty of music and carry forward his timeless traditions.

Bani Tirtha

1980 - 1985

Lyrics

Expressing Emotions Through Poetic Verses, Timeless Melodies, and Soulful Musical Storytelling.

Gopal Dasgupta’s lyrics beautifully blend poetry, melody, and deep emotions, capturing themes of patriotism, devotion, and human experiences. His words evoke powerful imagery, resonating with listeners across generations. Each composition reflects his lyrical brilliance, making his songs timeless treasures in Bengali music and an inspiration for aspiring artists.